কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীর প্রাণদণ্ড
সাত বছর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামী মো. মিজানুর রহমান প্রকাশ ওরফে মিজান হোসেনকে প্রাণদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রোববার এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার আগে মিজানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর এরশাদ আলম।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে মিজানের সঙ্গে মোসা. রেহানার বিয়ে হয়, তাদের দু'টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় রেহানার বাবা থেকে যৌতুক হিসেবে অর্থ, স্বর্ণালংকার নেন মিজান। এসব নেওয়ার পরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মিজান।
“২০১৯ সালের ২৫ জুলাই তাকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। টাকা কম দেওয়ায় রেহানাকে কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগ এলাকায় মারধর করে মিজান। পরে তাকে গলাটিপে হত্যা করেন।”
এ ঘটনায় পরদিন মিজানের ভাই মো. আব্বাস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর মিজান আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন’।
এদিকে মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই আক্কাস মিয়া আসামি মিজানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এরপর আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায় এল