নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত
জাপানের নারিতা থেকে ঢাকার পথে চলাচলকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের দেশে ফেরার যাত্রা বিলম্বিত হচ্ছে।
বিমানের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একটি ইস্যু আছে, আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।”
পরে বিকাল সোয়া ৫টায় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিমানের জনসংযোগ বিভাগ বলে, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে উড্ডয়নে বিলম্ব হচ্ছে।
“বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ার ক্রু ও প্রকৌশল দল ত্রুটি নিরসনে কাজ করছে। এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্য যথাসময়ে জানানো হবে।”
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা) ফ্লাইটটির ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা থাকলেও সেটি তখনো নারিতা বিমানবন্দরেই অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছেন এক যাত্রী।
তিনি জাপানের সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় (বাংলাদেশ সময় বিকাল সোয়া ৪টা) বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “৬টা ১৭ মিনিটে বিমান চলতে শুরু করে। তবে পাঁচ মিনিট পরে ক্যাপ্টেন ইমামুল ঘোষণা দেন, ‘কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। আপনারা ধৈর্য ধরুন’।
“এর ৪০ মিনিট পরে ক্যাপ্টেন ইমামুল ঘোষণা দেন, ‘আমরা আগের স্থানেই ফিরে যাচ্ছি। প্রকৌশলীরা ত্রুটি সারাতে কাজ করছেন’।”
পরে ওই যাত্রী বলেন, “ক্যাপ্টেন ইমামুল রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা) ঘোষণা দেন, ‘কাজ চলছে, তবে আরও সময় লাগবে’। আপনাদের লবিতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আপনাদের কিছুক্ষণ অবস্থান করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”
সফরসঙ্গীদের একজন জানান, প্রধানমন্ত্রীকে নামিয়ে বিমানবন্দরের লবিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে যাত্রীদেরও নিয়ে যাওয়া হয়।
চার দিনের সরকারি সফরে গত ২৬ অক্টোবর জাপান যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।