ট্রেনে যেতে শেষ ভরসা স্ট্যান্ডিং টিকিট
রেলের অগ্রিম টিকিট তারা কিনতে পারেননি। তারপরও ঘরে ফিরতে হবে ঈদ করতে। পরিবার নিয়ে চলে এসেছেন কমলাপুল রেল স্টেশনে। ভরসা স্ট্যান্ডিং টিকিট। কাউন্টার থেকে তাই পাওয়া গেছে। তাতেই ভালো। করোনভাইরাসের কারণে দুই বছর পর পরিবর নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ি, ঈদ করতে। সেই খুশিটাই আসল। যাওয়ার পথের কষ্টটা না।
ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাওয়া টিকিট প্রসঙ্গে জানা যায়, একটি ট্রেনের মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা যায়। সে অনুপাতেই কাউন্টার থেকে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হয়।
বুধবার থেকে শুরু হয়েছে কমলাপুর থেকে ট্রেনের ঈদযাত্রা। আজ সেই হিসেবে যাত্রার চতুর্থ দিন। প্রতিদিন ৬০ হাজারের বেশি মানুষকে ট্রেন পৌঁছে দিচ্ছে বাড়ি। ভিড় রোজ তাই প্রায় একরকম। আজ শনিবার সকাল থেকে অধিকাংশ ট্রেন সময় মতো গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। সকালে অন্য দিনের তুলনায় স্টেশনে মানুষ একটু কম ছিল। তবে বেলা বাড়ারে সঙ্গে মানুষ বেড়েছে।
ভোর থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সব ধরণের মিলে ২০টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। অবশ্য কয়েকটি ট্রেন কিছুটা দেরিতে ছেড়েছে। চিলাহাটি নীলসাগর এক্সপ্রেস, পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ৪০/৪৫ মিনিট করে দেরিতে স্টেশন ছেড়েছে।
ট্রেনযাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির ব্যাপার হলো সময় মতো ট্রেন ছেড়ে যাওয়া। এমনিতে ট্রেনের প্রবাদপ্রতিম দূর্ণাম আছে সময় মতো স্টেশন ছাড়তে না পারার। তবে এবার যাত্রীদের জন্য স্বস্তির ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রেনের সময় মতো স্টেশন ছাড়া।
কমলাপুর রেলস্টেশনের কর্মকর্তারাও বেশ খুশি। হাতে গোনা কয়েকটি ট্রেন হয়তো সামান্য সময় বেশি নিচ্ছে। একটু দেরিতে ছাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ ট্রেন সময় মতো ছাড়ছে। এটা তাদের জন্যও স্বস্তির ব্যাপার। এবার কোনো শিডিউল বিপর্যয় হয়নি। যাত্রীদের ট্রেনে করে ঘরে ফেরা হচ্ছে স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানা যায়, আজ সারা দিনে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ১২২টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে।