সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের পর হত্যা

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 28 সেপ্টেম্বর 2026, 08:16 সকাল • 7 বার পঠিত
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের পর হত্যা

অপহরণের চার ঘণ্টা পর কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জিসান চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকায় সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে কয়েকজন ব্যক্তি সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে জিসানকে তুলে নিয়ে যান। এর প্রায় চার ঘণ্টা পর খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় মহাসড়কের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।


পরিবারের দাবি, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

এদিকে জিসানের বড় ভাই কায়সারের সঙ্গে কবির টাওয়ারের মালিক জকরিয়ার ছোট ভাই মিজানের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

কায়সারের দাবি, জিসানকে অপহরণের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে তাদের মধ্যে ওই কথোপকথন হয়।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে মিজানকে বলতে শোনা যায়, আমরা অপারগ হয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এজাহার লিখেছি। কালকের দিনের মধ্যে আপনার ভাইকে (জিসানকে) নিয়ে যদি সমাধানে না বসেন, তাহলে আমি আমার মতো সমাধানের রাস্তা খুঁজে নেব। আপনার ভাইকে খুঁজতে ৫০ জন রেডি আছে।

ওই কথোপকথনে জিসানকে নিয়ে আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া অডিওটি মিজানেরই কিনা, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় লোকজন সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারের পার্কিংয়ে সাদা রঙের একটি এক্স-নোহা গাড়ি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে বাড়ির মালিক জাকারিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুটেজ দেখানো সম্ভব হয়নি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, জিসানকে কেন অপহরণ করা হয়েছিল এবং কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।